জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন !

সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্র গড়তে ওয়াদা করেছেন।

জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার ও অধীনস্থ মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের কর্মচারীদের নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বর্তমান সরকারের আমলে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) থেকে সকল দফতর ডিজিটাইজেশনের আওতায় এসেছে। ইউডিসিগুলো বর্তমানে সেবা গ্রহণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারের ডিজিটাইজেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর অধীন মন্ত্রণালয় ও তার আওতাধীন অধিদপ্তরগুলো ডিজিটাইজেশন কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

তিনি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা চলাকালীন সময়ে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে একথা বলেন। তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে এই প্রথম জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হতে পেরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ, তিনি আরও বলেন, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ইনোভেশনের মাধ্যমে চর্চা করলে তা আরো ফলদায়ক হবে। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন নিচ থেকে উর্দ্ধমুখী পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য তিনি পরামর্শ প্রদান করেন এবং সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের মাঝে মালিকানা সৃষ্টির জন্য তিনি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়সহ সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীরা ডিজিটাইজেশন কার্যক্রমকে আরো ত্বরান্বিত করলে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সকল সেবা সহজীকরণ ও অনলাইনের আওতায় আসবে এবং ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন হবে। এ লক্ষ্যে প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন অধিদপ্তরগুলোর মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ফেসবুকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান, রুরাল সিটিজেন জার্নালিজম, সোশ্যাল মিডিয়া সংলাপ এর ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হয়ে সারা দেশে বিশেষ স্থান দখল করেছে।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন। এসময় তিনি শুদ্ধাচার চর্চায় ইনোভেশনএর ব্যবহার কল্পে কুষ্টিয়া জেলায় গৃহিত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে সচিব মহোদয়কে অবহিত করে তিনি জানান, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিভিন্ন শাখা হতে ১৫টি ইনোভেশন আইডিয়া নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে শুদ্ধাচার এবং উত্তম চর্চা বিকশিত হবে। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভেড়ামারা এবং মহিলা বিষয়ক অফিসার কুমারখালী তাদের উদ্ভাবনী আইডিয়া সম্পর্কে সচিবকে অবহিত করেন। এ সময় স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক আনার কলি মাহবুব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুজিব-উল-ফেরদৌস, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অফিসার, সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি)গণ, ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmailby feather
ট্যাগসমূহঃ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Current ye@r *