সপ্তাহে একদিন খুলনা-ঢাকা রুটে স্টীমার সার্ভিস চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। আগামী ৩০ নবেম্বর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসবে এবং ১ডিসেম্বর খুলনা এসে পৌঁছাবে স্টীমারটি। বিআইডব্লি¬উটিসি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বিআইডবি¬উটিসি’র খুলনা অফিসের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান বলেন, খুলনা-ঢাকা রুটে স্টীমার সার্ভিস পুনরায় চালুর বিষয়ে আমাদেরকে অবহিত করা হয়েছে। এজন্য আমার নেতৃত্বে খুলনা অফিসের একটি টিম মংলা ঘাট পরিদর্শন করেছি। এছাড়াও এসব ঘাটগুলোতে যে জনবল কাঠামো পূর্বে ছিল সেগুলো ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে ঢাকা অফিসকে অবহিত করেছি। খুবশীঘ্রই জনবল দেয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিআইডব্লি¬উটিসি সূত্র জানিয়েছে, খুলনার ডেল্টা, খুলনা ও মংলা ঘাটের জনবল সংকট চরম। খুলনা ঘাটে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছে মাত্র পিওন এবং দারোয়ান, ডেল্টা ঘাটের চারটি পদের বিপরীতে রয়েছে মাত্র পিওন এবং দারোয়ান। এছাড়াও মংলা বন্দরে দারোয়ান ছাড়া অন্য কোন পদ নেই। অথচ এসব ঘাটগুলোতে একসময় প্রায় অর্ধশত লোকবল ছিল।
২০১১ সালে নাব্যতা সংকটের অজুহাতে এ রুটে স্টীমার সার্ভিসটি বন্ধ করে দেয়া হয়। বিআইডব্লিউটিসি’র জিএম নুরুল আলম আখন্দ (বাণিজ্য যাত্রি ও ফেরী) জানিয়েছেন, আপাতত সপ্তাহে একদিন খুলনা-ঢাকা রুটে স্টীমার সার্ভিসটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর খুলনার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে স্টীমারটি। মঙ্গলবার বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের সাথে বিস্তারিত আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্টীমারটি খুলনা পৌঁছাবে রাত ৮টায়। খুলনা থেকে আবার ভোর সাড়ে ৩টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়বে স্টীমারটি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশে স্টীমার সার্ভিসটি পুনরায় চালু করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় মংলা ও খুলনার ঘাটগুলো ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। যেগুলো মেরামতের কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে আঞ্চলিক কার্যালয়কে। এছাড়াও ঘাটগুলোতে জনবল সংকট রয়েছে যেগুলোর সঠিক অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে। এসবগুলো নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পূরণ করা হবে।
উল্লে¬খ্য, ২০১১ সালের ২ অক্টোবর ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্যতা না থাকার অজুহাতে ঢাকা-খুলনা রকেট সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।








Visit Today : 253
Who's Online : 10
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ