খুলনা মহানগর বিএনপির গণঅনশন

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া ও বিরোধী দল ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা প্রদানের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপি আয়োজিত গণঅনশন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। বিকাল ৪টায় নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে শরবত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের খুলনার আহ্বায়ক এ্যাড. গাজী আব্দুল বারী।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া ও বিরোধী দল ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। তাই মুক্ত খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা সরকারকে মানতে হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে দিতে হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে হঠাৎ করেই কোন কারণ ছাড়া নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। একদিকে সরকার হেলিকপ্টারে চড়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ ফাকা করতেই আওয়ামী লীগ সরকার এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

অনশনে বক্তারা বলেন, বক্তারা বলেন, আপিল বিভাগে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়বে এটা আমরা কখনও আশা করিনি। এটা নজিরবিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, আগামীতে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেখানে খালেদা জিয়া, বিএনপিসহ বিরোধীদলকে বাইরে রাখা। বিএনপি ও বিরোধী দল ছাড়া আগামীতে কোনও নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না। দেশের মানুষ হতে দেবে না।

বক্তারা বলেন, নির্বাচনের আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে হবে এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। একইসঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। সবার আগে শর্ত হচ্ছে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। বক্তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম মেশিনে নির্বাচন বন্ধ, অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানান।

অনশন কর্মসূচিতে বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান মনি, কাজী শাহ সেকেন্দার আলী ডালিম, শেখ মুজিবর রহমান, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এ্যাড, এস আর ফারুক, রেহানা আক্তার, শাহজালাল বাবলু, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, শাহিনুল ইসলাম পাখী, আজিজুল হাসান দুলু, ইকবাল হোসেন খোকন, এ্যাড. গোলাম মওলা, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, শেখ সাদী, সাদিকুর রহমান সবুজ, কাজী মিজান, সাজ্জাত হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, কে এম হুমায়ুন কবির, একরামুল হক মিল্টন, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, মাহবুব হাসান পিয়ারু, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, কামরান হাসান, এসএম কামাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, শফিকুল ইসলাম শাহিন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, নাজিউর উদ্দিন আহমেদ নান্নু, ইমাম হোসেন, হাফিজুর রহমান মনি, বদরুল আনাম খান, জামিরুল ইসলাম, মীর কবির হোসেন, হাবিব বিশ্বাস, অধ্যাপক শফিকুল আলম, বেলায়েত হোসেন, আহসান উল্লাহ বুলবুল, শরিফুল আনাম, কালাম শিকদার, তরিকুল্লাহ খান, আফসারউদ্দিন মাস্টার, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, এ্যাড. মফিজ, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, লিটন খান, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, জাহিদ কামাল টিটু, মহিউদ্দিন টারজান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, নাসির খান. আকরাম হোসেন খোকন, আব্দুর জব্বার, মোস্তফা কালাম, আঃ আলিম, ফরিদ আহমেদ মোল্লা, ওয়াহেদর রহমান দীপু, সাইফুল ইসলাম, কাজী মাহমুদ আলী, আরিফ খান, বাচ্চু মীর, আব্দুর রহমান ডিনো, সরদার ইউনুস আলী, নীরু কাজী, আনসার চৌধুরী, বাবু মোড়ল, হেনা বেগম, আরমান হোসেন, নিঘাত সীমা, গাউস হোসেন, সোহাগ, সায়মুন ইসলাম রাজ্জাক, জাহিদুর রহমান রিপন, জিএম রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, মোঃ আলী, রোকেয়া ফারুক, ইউনুস মোল্যা, মুনতাসির আল মামুন, রবিউল ইসলাম রুবেল, জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ সাদী প্রমুখ।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmailby feather
ট্যাগসমূহঃ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Current ye@r *