নগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রস্ততি, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন

খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভা সোমবার দুপুরে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভা থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়।

সভা থেকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সিইসির বক্তব্য অনুযায়ী রাজনৈতিক কর্মীদের কোন ধরনের হয়রানি, গ্রেফতার ও তল্লাশি বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও খুলনা মহানগরী জুড়ে পুলিশ ও ডিবির অভিযান, বাড়ি বাড়ি তল্লাশি, নতুন করে গ্রেফতার এবং গায়েবী মামলায় কারাগারে আটক কর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে অন্য থানার মামলায় শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সেই সাথে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে যাবার ঘোষণার পর আর কোন নেতাকর্মীকে অহেতুক হয়রানি না করার জন্য দাবি জানানো হয়।

সভা থেকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য পরিবেশ তৈরিতে রিটার্নিং অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

সভা থেকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে সব ধরনের প্রচার প্রচারনা, মিছিল সমাবেশ, শোডাউন আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রতিনিয়ত রাজপথ অবরুদ্ধ করে জনভোগান্তি তৈরি করে, গানবাজনার তালে, আতংক সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কর্মীদের মিছিল সমাবেশ করা এবং নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। সেই সাথে পাড়ায় মহল্লায় শাসক দলীয় ক্যাডার এবং নগরীতে প্রবেশ করা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, সেই সাথে নগরীর প্রবেশ পথে চেকপয়েন্ট স্থাপনের দাবি জানানো হয়।

সভা থেকে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, নির্বাচনী আচরনিবিধি লংঘন, নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা, বিতর্কিত ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তিদের ভোট গ্রহণের কাজে প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ না করা এবং নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে বুধবার দুপুর ১২ টায় রিটার্নিং অফিসার ও খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর নগর বিএনপির পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরআগে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় বিএনপি অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সভা থেকে পুলিশের অত্যাচার, মিথ্যা মামলার হয়রানি ও গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদেরকে এলাকায় ফিরে আসার এবং নির্বাচনী প্রচারণা যুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানানো হয়।

সভা থেকে খুলনা মহানগরে দায়েরকৃত ১৮ টি গায়েবী মামলা অবিলম্বে স্থগিত ও প্রত্যাহার, কারাগারে আটক ১৫৯ জন নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন মনিরুজ্জামান মনি, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, মোল্লা আবুল কাশেম, সিরাজুল ইসলাম, রেহানা আক্তার, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, মুজিবর রহমান, জালু মিয়া, ইকবাল হোসেন খোকন, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, একরামুল কবির মিল্টন, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, হেলাল আহমেদ সুমন, নিয়াজ আহমেদ তুহনি, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, হাফিজুর রহমান মনি, মুজিবর রহমান ফয়েজ, বদরুল আনাম, সাইদ হাসান লাভলু, হাসানউল্লাহ বুলবুল, জামিরুল ইসলাম, আফসারউদ্দিন মাস্টার, মীর কবির হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, নাসির খান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, শরিফুল আনাম, শেখ আব্দুল জব্বার, আবু সাঈদ শেখ, বাচ্চু মীর, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, আব্দুল আলিম, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সরদার ইউনুস আলী, মোস্তফা কামাল, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, মতলেবুর রহমান মিতুল, সাইফুল ইসলাম, কাজী মাহমুদ আলী, মেহেদী হাসান সোহাগ, আলমগীর কবির, জি এম রফিকুল হাসান, খান মইনুল হাসান মিঠু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মনিরুল ইসলাম, নুরে আব্দুল্লাহ, শেখ সাদী, লিটু পাটোয়ারী, হেদায়েতুর রহমান হেদু প্রমুখ।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmailby feather
ট্যাগসমূহঃ ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Current ye@r *