মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা অবিস্মরণীয়

খুলনা-২ আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গণমাধ্যম বান্ধব একজন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশে ৪০ টির বেশী টেলিভিশন, হাজারের উপরে পত্রিকা, ২৫টির মত রেডিও ও অসংখ্য অনলাইন পত্রিকা অনুমোদন পেয়েছে।

হাজার হাজার শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। গণমাধ্যম এবং এর সাথে জড়িত কর্মীদের অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছেন প্রধানমস্ত্রী। আজ গণমাধ্যম কর্মীরাই সত্য ইতিহাস তুলে ধরে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদায় জায়গায় নিয়ে এসেছে। তারা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে সংরক্ষণ করতে কাজ করছেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় এই গণমাধ্যম কর্মীদের বিশেষ ভূমিকা ছিলো। তাদের ভূমিকার কারণেই সারা বিশ্ব বাংলাদেশের নির্যাতনের কথা জানতে পেরে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে সমর্থন দিয়ে পাশে দাড়িয়েছিলো। এই গণমাধ্যম কর্মীরা আজ স্বাধীনতার পক্ষে থাকার জন্য একমত পোষণ করেছেন। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে টিকিয়ে রাখতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

১৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য কালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টুর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহিদ হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সানি, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান রিয়াজ, এস এম ফরিদ রানা, শামিম আশরাফ শেলী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, সাংবাদিক এ কে হিরু, শেখ আবু হাসান, মোঃ সাহেব আলী, সুবীর রায়, মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, নেয়ামুল হোসেন কচি, মোঃ সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট, সুনিল দাস, দেবব্রত রায়, মোস্তফা কামাল আহমেদ, সুমন আহমেদ, আল মাহমুদ প্রিন্স, জয়নাল ফরাজী, নূর হাসান জনি, দিলীপ বর্মণ, হাসান আল মামুন, এম এম মিন্টু, মেহেদী হাসান পলাশ, বিমল সাহা, দানিয়েল সুজিত বোস, আব্দুল মালেক সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল হক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, হাফেজ মো. শামীম, তারিকুল ইসলাম, কাজী জাহিদুল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, টিএম আরিফ, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, কামরুল ইসলাম, সুলতান আহমেদ খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। পরে নেতৃবৃন্দ খুলনা প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু’র ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmailby feather
ট্যাগসমূহঃ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*

Current ye@r *