হারিয়ে যওয়া দেশীয় প্রজাতীর বীজ বিনিময়, প্রদর্শণী ও বিপননের জন্য ২১ মার্চ বটিয়াঘাটার কাতিয়ানাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামীণ বীজমেলা ২০১৯।
এলাকার অর্ধশতাধীক নারী কৃষক তাদের সংরক্ষিত বীজ নিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ ও মৈত্রী কুষক ফেডারেশন আয়োজিত এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন। ব্যতিক্রমধর্মী এই মেলার প্রত্যেকটি স্টলে কমপক্ষে ২৫ থেকে ১৮০ জাত ও প্রজাতির ফলদ, বনজ ও সবজি বীজ প্রদর্শীত হয়।
উন্নয়ন সহযোগি মিজরিওর জার্মানীর সহযোগিতায় ২৫টি কৃষক সংগঠন মেলাটির আয়োজক সহযোগি হিশাবে দায়িত্ব পালন করে। লোকজ মৈত্রী কৃষক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাকন মল্লিকের সভাপতিত্বে এবং লোকজের নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকারের পরিচালনায় মেলা শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ জিয়াউর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার রবিউল ইসলাম, বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল বক্তব্য রাখেন। এ সময় আরো অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খগেন্দ্রনাথ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নির্মলেন্দু বিশ্বাস, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুশীল কুমার রায়, মনোরঞ্জন শীল, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দীন, ইউপি সদস্য তুলসী দাস বিশ্বাস, নীহার রঞ্জন সরকার, দীপ্তি রানী মল্লিক, আব্দুর রাজ্জাক, স্বপন কুমার রায, মনিরুল ইসলাম, নিকুঞ্জু বিহারী সরকার, অমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস সুব্রত বিশ্বাস প্রমুখ।
মেলায় বীজ বৈচিত্র্য, বীজের সংখ্যা ও প্রদর্শনীর কৌশলের উপর ভিত্তি করে একটি নির্বাচনী প্যানেলের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নারী কৃষকদের মধ্যে লক্ষী রাণী মন্ডল প্রথম, শঙ্করী সরকার দ্বিতীয় এবং করুনা মন্ডলকে তৃতীয় নির্বাচিত করে পুরষ্কার প্রদানসহ মেলায় অংশগ্রহণকারী সকল নারী কৃষকদের পুরষ্কৃত করা হয়।
এই বীজমেলার মাধ্যমে কৃষক-কৃষাণীরা বীজ বিনিময় ও স্থানীয় বীজের বাজার সম্প্রসারণ করতে পেরেছেন এবং বীজ সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষকদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া কৃষিতে বিশেষ অবদানের জন্য নালুয়া ভূমিহীন কৃষক সংগঠন এবং সোনালী কৃষক সংগঠনকে পাঁচ হাজার টাকা করে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।







Visit Today : 985
Who's Online : 12
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ