খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা আজ সকালে জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান।
সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভাপতি একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে নগরীতে নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বর্ষা মৌসুমের আগে ড্রেনসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিস্কার, ফুটপাথ অবৈধভাবে দখলমুক্ত রাখতে ও ফুটপাতের হকারদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসার ব্যবস্থা করতে কেসিসি’র দৃষ্টি আর্কষণ করেন।
সভায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শতকরা ৮৫ ভাগ শেষ হয়েছে এবং ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজটি শেষ হবে। ইতোমধ্যে টুটপাড়া ও খালিশপুরে দুইটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের ভবন ৬ তলা পর্যন্ত বাড়ানো ও নগরীর অনেক রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। ময়ুর নদী দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও অবৈধভাবে স্থাপিত বাড়িঘর অপসারনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সিটি এলাকাকে ৩ ভাগ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই ড্রেনসমূহ পরিস্কার করা হবে বলেও প্রতিনিধি জানান।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী অফিসার জানান, গল¬ামারী স্মৃতিসৌধের সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে এর সম্মুখে একটি লেক রেখে দু’পাশে আসা যাওয়ার রাস্তা তৈরির প্রকল্প গ্রহণের জন্য নয় কোটি টাকার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। কয়রা ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রেরিত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন হয়েছে।
সিভিল সার্জন জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বহুতল ভবন নির্মাণে অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কয়রা উপজেলায় ২০ বেডের একটি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভাপতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী স্ব-স্ব দপ্তরের ওয়েব পোর্টাল হালনাগাদকরণ, জেলা ইনোভেশন কার্যক্রম জোরদার করা, জেলা ও উপজেলার সকল দপ্তরের ফেসবুকের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সমাধান করে জনগণকে সেবা দিতে অনুরোধ জানান। জনগণ যে কোন সামাজিক তথ্য সেবা বিনামূল্যে গ্রহণে জাতীয় তথ্য কেন্দ্রের ১০৪ ও ৯৯৯ নম্বরে কল করে সেবা নিতে পারবে বলে তিনি অবহিত করেন।
সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানগণ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী অফিসার, সিভিল সার্জন, কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।







Visit Today : 489
Who's Online : 7
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ