“পুলিশ কি তোর বাপের চাকোর ? ওখানে এতোগুলো পুলিশ দাড়ানো তোর গায় বাধে না ?” এই কথাগুলো বলতে বলতেই শুরু হ’ল অটো ড্রাইভারকে ট্রাফিক পুলিশের লাঠি পেটা। আজ দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে।
অটো ড্রাইভারের অপরাধ সে কেন নগরীর ময়লাপোতা মোড় থেকে যাত্রি নিয়ে শিববাড়ি মোড়ে এসেছে। বর্তমানে এ পথে না-কি অটো চলাচল নিষিদ্ধ অথচ কিছু অটো সারাদিনই এ পথে চলাচল করছে। মার খেতে খেতে উল্লিখিত অটো ড্রাইভার ট্রাফিক পুলিশটির পা জড়িয়ে ধরে অনুনয় করতে থাকে তাকে ক্ষমা করে দিতে, কিন্তু উদ্ধত পুলিশটি ততক্ষণে তার গাড়ির যাত্রিদের নেমে যেতে হুকুম দেয়। যাত্রিরা নেমে গেলে পুলিশটি ড্রাইভারকে বলে চল অফিসারদের কাছে তোর ক্ষমার ব্যাবস্থা হবে।
এ সময় উপস্থিত পথচারি ও উল্লিখিত অটো’র নেমে যাওয়া যাত্রিরা প্রশ্ন করেন সরকারি কর্মচারি তো পাবলিক সার্ভেন্ট অর্থাৎ জনগণের চাকর, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে পুলিশ হ’ল জমিদার আর জনগণ হ’ল তাদের পিটুনী খাওয়া প্রজা। এ জন্যইকি পিপলস্ রিপাবলিক অব বাংলাদেশকে জনগণতান্ত্রি বাংলাদেশ না বলে নাম রাখা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ অর্থাৎ এ দেশের জনগণ নাগরীক নয় কারো প্রজা?
১৮৬১ সাল অর্থাৎ বৃটিশ আমলে এই পুলিশ তৈরী করেছিলো বৃটিশরা। তখন এ দেশের মালিক ছিলো বৃটিশরা আর এ দেশের মানুষ ছিলো তাদের প্রজা। সেই প্রজাদের উপর জুলুম-নির্যাতন করতে, তাদের অপমান অপদস্থ করে তাদের সর্বস্ব লুটে নিতে তেরী হয়েছিলো এই পুলিশ। এর পর দুইবার দেশ স্বাধিন হয়েছে, একবার ১৯৪৭ সালে ভাওতাবাজির স্বাধীনতা আর একবার সারা পৃথিবীকে নাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সামরীক জান্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সত্যিকারের স্বাধীনতা।
আসলেই কি সত্যিকারের স্বাধীনতা? তা হলে এখনও কেন সেই বৃটিশ আইনের পুলিশ যারা দেশের মালিক খোদ জনগণকেই প্রতিনিয়ত পিটুনী দিচ্ছে, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন আপমান করছে, কোথায় পাচ্ছে তারা এই অপকর্মের শক্তি ? না-কি বৃটিশ আমল থেকে চলে আসা বর্তমান আইনই তাদের রক্ষাকবচ? পিটুনী খাওয়া অপমানিত এই মানুষদের প্রশ্ন তা হলে জনগণের রক্ষাকবচ কই?







Visit Today : 383
Who's Online : 7
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ