আজ সকাল ১১টায় উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর যৌথ উদ্যোগে জলবায়ূ তহবিলের অধীনে প্রকল্পে সমূহে স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা, জবাবদিহিতা ও জন-অংশগ্রহণ নিশ্চিত ও বাজেটে সুন্দরবন রক্ষায় বরাদ্দের দাবীতে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়।
ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটি সঞ্চলনা করেন ক্লিন-এর ক্যাম্পেইন অফিসার নাসিম রহমান কিরন।
সবাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটিএফ) সারা পৃথিবীতে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছিলো। কিন্তু অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির কারণে এ তহবিল থেকে তেমন কোনো জলবায়ুতে ক্ষকিগ্রস্ত জনপদ সুফলভোগ করতে পারছেনা। উল্লেখ্য তহবিল থেকে ৩৬৪টি প্রকল্পে ২৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেলেও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত সক্ষমতা নেই বলেই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রতিবেদন বলা হয়েছে।
বক্তারা জলবায়ু তহবিল প্রকল্পের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জন-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার এবং পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় বাজেটে বরাদ্দ দেয়ার এবং ম্যানগ্রোভবন সুন্দরবন যেহেতু পৃথক বৈশিষ্ট্যের সুতরাং সাধারণ বন সংরক্ষণের আইন দিয়ে সুন্দরবনকে সংরক্ষণ করা যাবে না। বক্তারা সুন্দরবন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র আইন প্রণয়নের দাবি জানান। বক্তারা আরোও বলেন স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমেই বিশ^ ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভবন সুন্দরবন কে রক্ষা করা সম্ভব হবে, অন্যথায় অচিরেই সুন্দরবন তার অস্তিত্ব নিয়ে হুমকির মুখে পড়বে।
কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নাগরিক নেতা শেখ আবদুল হালিম, টিআইবি’র সহকারী এরিয়া ম্যানেজার মোঃ তারিকুল ইসলাম, ইয়েস’র সুস্মিত সরকার, মামুনুর রশীদ, আসাদুজ্জামান, উন্নয়ন কর্মী রিপা আক্তার, ক্লিন’র, সুবর্ণা ইসলাম দিশা, শাহীনুর ইসলাম, ইব্রাহিম হোসেন, সিয়াম হাসান প্রমূখ।






Visit Today : 200
Who's Online : 7
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ