‘সংখ্যালঘুর মানবাধিকার সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা আজ (মঙ্গলবার) সকালে খুলনা নগরীর সামছুর রহমান রোডস্থ স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন।
তবে সংবিধান অভিজ্ঞদের মতে বাংলাদেশের সংবিধানে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার সমান। বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি একটি অসাংবিধানিক শব্দ এবং যে বা যারা এধরনের শব্দ প্রয়োগ এবং প্রচার করবেন তারা সংবিধান লংঘনকারী, যা কিছু সুবিধাবাদি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি এখনও করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ নগরবাসির।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সবার জন্য সমানাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপশি কারও প্রতি অমানবিক আচরণ সমর্থন করে না। কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেও আমাদের মানবিক বাংলাদেশে বিশ্বাসী হতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার এসকল বিষয়ের প্রতি অধিক যত্নশীল। ধর্মকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা যেন না হয় প্রশাসন সে বিষয়ে সজাগ আছে। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন ও শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার জন্য সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কাউকে তাঁর প্রাপ্য অধিকার হতে বঞ্চিত করা যাবে না। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নিবিশেষে সবার জন্য।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) এর সভাপতি এ্যাডভোকেট অলোকানন্দা দাস। ধারণপত্র উপস্থাপন করেন মানবাধিকার সম্পাদক এ্যাডভোকেট পপি ব্যানার্জী। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান শারির প্রোগ্রাম সমন্বয়ক জগদীশ চন্দ্র সানা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শারি ও হিউম্যানিটিওয়াচের যৌথ সহযোগিতায় এবং সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) খুলনা জেলা কমিটি এই কর্মশালার আয়োজন করে।






Visit Today : 875
Who's Online : 12
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ