ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’এর আলোকে তামাকের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধে করণীয় শীর্ষক বিভাগীয় কর্মশালা আজ খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা জেলা প্রশাসক আনিস মাহমুদ বলেন, তামাকজাত দ্রব্য মানুষের জীবনীশক্তি নিঃশেষ করে দেয়। হৃদরোগ এবং গলা ও ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ তামাকজাত দ্রব্য। বিজ্ঞাপনে অথবা বাড়িতে বড়দের ধুমপান করতে দেখে ছোটরাও ধুমপানে উৎসাহিত হয় এবং কৌতুহলী হয়ে অনেক তরুণ সিগারেটে অভ্যস্ত হয়, যার পরিণতিতে এক পর্যায়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তাই তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করণে আইন হয়েছে।
বেসরকারী সংস্থা সিয়াম এবং এইড’র সহযোগিতায় ইসি বাংলাদেশ এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ইয়াসীন আলী সরদার। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অজিয়র রহমান এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এরাদুল হক।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে প্রতিবছর প্রায় সাতান্ন হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ২০০৫ সালের তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধিত ২০১৩) আইনে গণমাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ করার যে আইন করা হয় তাতে এ আইন লঙ্ঘন করলে অনুর্ধ তিনমাস বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। কোন ব্যক্তি পুনরায় এ ধরণের অপরাধ করলে তিনি উক্তদন্ডের দ্বিগুণ হারে দন্ডনীয় হবেন।
কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের অফিসার, এনজিও প্রতিনিধি ওগণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন
by
সর্বশেষ মন্তব্যসমূহ