List/Grid

প্রকৃতি ও পরিবেশ Subscribe to প্রকৃতি ও পরিবেশ

সুন্দরবন রক্ষায় আসছে নীতিমালা, আপোষহীন প্রয়োগই হবে বড় চ্যালেঞ্জ

বহু প্রতিক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ ‘সুন্দরবন পর্যটন নীতিমালা’ অবশেষে প্রণয়ন হতে চলেছে। গত ২৫ জুন বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রনালয় সভায় সুন্দরবন ভ্রমণের খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত হয়েছে যা এখন মন্ত্রী পরিষদে বিল আকারে উত্থাপন ও আইন হিসাবে পাশের অপেক্ষায় বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। তবে এই নীতিমালাই যেন দুর্নীতির হাতিয়ার বা সংশ্লিষ্টদের গলার কাটা হয়ে না ওঠে তা নিশ্চিৎ করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ।

জীববৈচ্যিত্রে অনন্য সুন্দরবন –পর্ব ৪

চিতল হরিণ (Spotted Deer): সুন্দরবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী চিতল হরিণের গায়ের রং লালচে বাদামীর উপর সাদা সাদা ফোটা।সংখ্যায় এরা সুন্দরবনের প্রাণীদের মধ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠ।পুরুষ হরিণের গায়ের রং গাঢ় এবং মুখে কালো দাগ থাকে।পুরুষ হরিণের শাখা-প্রশাখা যুক্ত শিং থাকে যা লম্বায় এক মিটার পর্যন্ত হয়।সাধারণত প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্ত্রী হরিণেরা একসাথে থাকে।

জীববৈচিত্র্যে অনন্য সুন্দরবন- পর্ব-৩

বাঘ (R oyal Bengol Tiger):ভুবন বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার একমাত্র সুন্দরবনেই বাস করে। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বড় বিড়াল(panthera)গোত্রের সদস্য। এ গোত্রের অন্য সদস্যরা হ’ল সিংহ,চিতাবাঘ,স্নো-লেপার্ড ও জাগুয়ার।

জীববৈচ্যিত্রে অনন্য সুন্দরবন-পর্ব-২

সুন্দরবনের পাখিঃ সুন্দরবনে বিপুল সংখ্যক পাখি বাস করে।সুন্দরবনে শর্বাধিক নয় প্রজাতির মাছরাঙা বাস করে। এসব মাছরাঙার মধ্যে আছে ছোট মাছরাঙা,নীল কান মাছরাঙা,খয়রী মাছরাঙা,কালোটুপি মাছরাঙা,সাদাবুক মাছরাঙা,কন্ঠি মাছরাঙা,লাল মাছরাঙা,গরিয়াল মাছরাঙা,ফটকা মাছরাঙা।অন্যান্য পাখিরা হ’ল বন কোকিল,বউ-কথা-কও

প্রকৃতি সুরক্ষায় বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান ডব্লিউ ডব্লিউ এফ

বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি সুরক্ষায় সহযোগী ও তহবিলদাতা একক বৃহত্তম প্রতিষ্ঠানটি হলো world wide fund for nature (WWF)। ১৯৬১ সালের ২৬ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি একটি আন্তর্জাতিক বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান। শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃতিসুরক্ষা, গবেষণা এবং পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। যার পূর্বতন নাম ছিল world wild life fund, আমেরিকা ও কানাডায় যা এই নামেই কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় এটি হচ্ছে সারাবিশ্বে একক বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান, যার সহযোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। বিশ্বের ১০০টি দেশে প্রতিষ্ঠানটি প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষাকল্পে প্রায় ১৩০০ প্রকল্প পরিচালনা করছে। ২০১০ সাল থেকে সংগঠনটি তার মোট তহবিলের ৫৭% নিজস্ব তহবিল থেকে যোগান দিচ্ছে। এ ছাড়া, তহবিলের ১৭% বিভিন্ন সরকারি সংস্থার (যেমন: world bank, DFID, USAID) এবং ১১% বিভিন্ন বেসরকারি বাণিজ্যিক সংস্থার কাছ থেকে সংগ্রহ করছে।
সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘এই ধরিত্রীর প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষয়-ক্ষতি রোধ করা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ মানানসই একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা।’ সাম্প্রতিক কালে সংগঠনটি জীববৈচিত্র্য রক্ষার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ নিয়ে কাজ করছে। এগুলো হলো সমুদ্র ও উপকূলবর্তী জীবন, বন এবং সুপেয় পানি। যা পরিবেশ সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এগুলো ছাড়াও সংগঠনটি আরও যে সব বিষয়ে কাজ করছে সেগুলি হলো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীদের সুরক্ষা, দুষণমুক্ত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ নির্ণয় ও এর প্রতিকার।
উইকিপিডিয়াঅবলম্বনে।

পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা, বৃক্ষনিধন ও খাল-নদী অপদখল বন্ধ হওয়া জরুরী

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার লোকালয়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইট ভাটা। বেশীর ভাগ ইট ভাটায় আইনানুযায়ী কয়লা না পুড়িয়েবে-আইনি ভাবে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। ফলে উজাড় হচ্ছে গ্রামসহ আসে পাশের বনজ সম্পদ, বিনষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।